LoginSign Up

নুনু মিয়ার নির্বাচন উত্তেজনায় (এলাকাবাসী)

পাঁচমিশালি 12 months ago 21 Jul, 2019 at 11:37 am 302
Linkedin Pint

একটা দেশের করূণ কাহিনী!
নুনু মিয়া নামের এক লোক উপজেলা
নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে দাঁড়ায়ছে।
পরেরদিন স্থানীয় পত্রিকার শিরোনাম
“নুনু খাড়াইছে!”

খবর দেখে নুনু মিয়ার মেজাজ গরম হইছে। তিনি
পত্রিকা অফিসে ফোন করে রাগী গলায় বকা
ঝকা করলেন। পরদিন পত্রিকার শিরোনাম
এসেছে
“নুনু গরম হইছে!”

নুনু মিয়া ভোটে দাঁড়ায়ছে এই খবর আবার
এলাকার বড় এক বয়স্ক নেতা জানেন না। মূলত
তিনিও একই দলের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও
রানিং ভাইস চেয়ারম্যান। সাংবাদিকরা
ওনার কাছে গিয়ে অনুভূতি জানতে গেলে উনি
বলেন “নুনু আবার কবে খাড়াইলো? আমিতো
টেরই পাইলাম না।”

এদিকে সেই উপজেলার নারী ভাইস
চেয়ারম্যান পদে দাঁড়িয়েছেন এক মহিলা।
তিনি নুনু মিয়ার ঘোর বিরোধী। তিনি
নারীদের নিয়ে নুনু মিয়ার বিরুদ্ধে মিছিল
করলেন। নারীরা পত্রিকায় সাক্ষাতকার দিল।
পরদিন পত্রিকার শিরোনাম এসেছে
“এলাকার নারীদের খুশী করতে পারেনি নুনু!”

“খবর দেখে এবার পত্রিকাওয়ালার বিরুদ্ধে
সেই মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী
ক্ষেপে গেছেন। তিনিও আববার নুনু মিয়ার
দলের লোক। ওনাকে কেন্দ্র থেকে বকা
দিয়েছে। বকা খেয়ে তিনি পত্রিকায় ফোন
করে বলেন ” এই সামান্য বিষয় নিয়েও
আপনারা শিরোনাম করেন!” ওনার সাথে আমার
কোন ব্যাক্তিগত ঝামেলা নেই। আপনারা
আগামীকাল সঠিক খবর প্রকাশ করবেন। পরদিন
পত্রিকার শিরোনাম এলো
“মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নুনুতে সন্তুষ্ট!”

বিষয়টা দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের নজরে
আসল। তারা ভাবলেন গ্রুপিং করার চেয়ে
সেখানে একজন মোটিভেশনাল স্পিকার
পাঠানো দরকার যিনি সবাইকে বোঝাবেন।
কেন্দ্র থেকে ‘সোনাইমাল’ নামের এক
মোটিভেশনাল স্পিকারকে পাঠানো হল।
যাকে আবার আদর করে লোকজন ‘মাল’ ডাকেন।
সোনাইমাল সাহেব নুনু সাহেবকে চিনতেন না।
তিনি মোটিভেশান দেয়ার জন্য ঐ উপজেলার
এক হোটেলে গেলেন। এদিকে নুনু সাহেবও ঐ
হোটেলে ঢুকলেন। নুনু মিয়াকে দেখেই
সোনাইমালের মেজাজ গরম হয়ে গেল। এই নুনু
মিয়াই একদিন তার এক পোস্টে কমেন্ট করছিল
“এত চিকনা পাছা দিয়া হাগেন কেমনে?” সেই
থেকে সোনাইমাল সাহেব এই লোককে খুঁজছে।
কিন্তু নুনু সাহেব সরকারি দলের লোক৷ তাকে
ক্ষেপালে ঝামেলা আছে। তিনি রাগ করে
হোটেল থেকে বেরিয়ে গেলেন। পরদিন
পত্রিকার শিরোনাম এলো
“নুনু ঢোকার সাথে সাথেই মাল আউট”

এইবার নুনু মিয়া পরলেন টেনশনে। কেন্দ্র
থেকে পাঠানো মোটিভেশনাল স্পিকার
ফেরত গেছে। কেন্দ্রের লোকজন ক্ষেপলে
নমিনেশন পাবো না। নমিনেশন প্রত্যাশী
দলের আরেক প্রার্থী সোনা মিয়া উচ্চ মহলে
তদবির করছেন। শোনা গেছে উনি এজন্য বেশ
টাকা পয়সা খরচ করছেন। এর মধ্যে কেন্দ্রের
এক নেতা ফোন করে বললেন “নমিনেশন তোমার
ইয়ে দিয়ে ভরে দিব”। দুঃখে নুনু মিয়া
কয়েকদিন প্রচারণা বন্ধ রাখলেন। শুধু শুধু টাকা
নস্ট করার মানে হয় না।
একদিন পত্রিকার শিরোনাম এলো
“মাল আউটের পরে নিস্তেজ নুনু”

এদিকে নুনুর পক্ষে আসলেন আরেক বড় নেতা।
সবাই তাকে ‘বাল’ বলে ডাকেন। কারণ ওনার
নাম যে ছিলো আবাল। নুনু মিয়া এবার
উজ্জীবিত হলেন। তিনি আবারও প্রচারণা শুরু
করলেন।
পত্রিকার শিরোনাম এলো
‘বালের উপস্থিতিতে নুনু সতেজ হয়ে গেছে!”

কিন্তু নুনু মিয়ার টেনশন এখনো দূর হয় নাই।
কারণ তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সোনা মিয়া।
পত্রিকায় প্রায়ই খবর আসে
“কে বড়? সোনা? নাকি নুনু?”

অবশেষে নুনু মিয়া সফল হলেন। বাল সাহেবের
প্রচেস্টায় তিনি নমিনেশন পেলেন। জেলা
পর্যায়ের নেতারা যারা এতদিন সোনা
মিয়াকে গুরুত্ব দিত তারা এখন সবাই নুনুর
পক্ষে। পত্রিকায় শিরোনাম এলো
“নুনু এখন আগের চেয়ে শক্তিশালী। সবাই নুনুতে
তেল মাখাচ্ছে!”

 

সুত্রঃ ফেসবুক

12 months ago

Abdullah sk
I,m article writer, part time job in kokilbd
Like - Dislike Votes 0 - Rating 0 of 10

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*